• Bangla Dailies

    Prothom alo
    undefined
    Songbad
    daily destiny
    shaptahik
  • Weeklies

  • Resources

  • Entertainment

  • Sports Links

  • আজ আদালতে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া

    বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আজ বৃহস্পতিবার আদালতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসায় স্থাপিত বিশেষ আদালতে হাজিরা দিবেন তিনি।
    হাজিরা দেওয়ার সময় খালেদা জিয়া আদালতের কাছে নিজের জামিন চাইবেন। দুর্নীতির অভিযোগে করা এক মামলায় পূর্ব নির্ধারিত তারিখে আদালতে এই হাজিরা দিচ্ছেন তিনি।
    উল্লেখ্য, গত ১৫ জুলাই খালেদা জিয়া যুক্তরাজ্যে যান। ৩ মাসের বেশি সময় ধরে বড় ছেলে তারেক রহমানের বাসায় অবস্থান করে চোখ ও পায়ের চিকিৎসা নেন তিনি। এরপর গতকাল বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকায় পৌঁছানে এসে পৌঁছান খালেদা জিয়া ।
    জানা যায়, যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালীন সময়ে ঢাকা ও কুমিল্লায় নাশকতা, দুর্নীতি ও মানহানিসহ ৫টি মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। হঠাৎ করে দুই দিনে এসব মামলায় আদালতের পরোয়ানা জারির প্রেক্ষাপটে নেতা-কর্মীদের মধ্যে কিছুটা উৎকণ্ঠাও বিরাজ করছিল। কেউ কেউ গ্রেফতারের আশঙ্কা করেন। এ নিয়ে রাজনৈতিকদের মধ্যে বিভিন্ন বক্তব্য দিতে দেখা গিয়েছে।
    প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির নেতা মওদুদ আহমদ বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের নেত্রীর বিরুদ্ধে সরকার রাজনৈতিক মনোভাবে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। গ্রেফতারি পরোয়ানাকে তিনি ভয় পান না।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তিনি আদালতে গিয়ে সব মামলায় জামিন নেবেন।’

    নারীদের জন্য ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক’ শহর মিশরের কায়রো!

    বিশ্বে নারীদের নিরাপত্তার জন্য মিশরের রাজধানী কায়রোকে বলা হচ্ছে ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক’ শহর। আর নারীদের জন্য খারাপ মহানগরীর মধ্যে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা রয়েছে সপ্তম স্থানে, তবে যৌন সহিংসতার দিক থেকে ঢাকার অবস্থান চতুর্থ।মেগাসিটি বা বড় শহরগুলোর ওপর থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক জরিপে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

    বিশ্বজুড়ে ১৯টি মেগাসিটিতে পরিচালিত এই জরিপে নারী ইস্যুতে বিশেষজ্ঞদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিলো যে যৌন সহিংসতা থেকে নারীরা ঠিক কতোটা সুরক্ষিত। জরিপে দেখায় বড় শহরের মধ্যে লন্ডন সবচেয়ে বেশি নারী বান্ধব, এরপরেই রয়েছে টোকিও ও প্যারিস। আর কায়রোর নারী অধিকার কর্মীরা বলছেন, দেশটির পুরনো প্রচলিত প্রথা গুলোই নারীদের প্রতি বৈষম্যের জন্য বেশি দায়ী এবং নারীদের জন্য প্রগতিশীল কোনো পদক্ষেপ নেয়াও সেখানে কঠিন। তাদের মতে ভালো স্বাস্থ্যসেবা, অর্থ ও শিক্ষার মতো বিষয়গুলোতেও নারীর জন্য সুযোগ কম।
    মিশরের সুপরিচিত সাংবাদিক শাহিরা আমিন বলছেন, শহরের সবকিছুই নারীর জন্য কঠিন এমনকি রাস্তায় হাঁটতে গেলেও বিভিন্ন হয়রানির শিকার হতে পারে একজন নারী। নারীদের জন্য বিপজ্জনক মেগাসিটির তালিকায় কায়রোর পরেই আছে পাকিস্তানের করাচী এবং কঙ্গোর কিনসাসা। আর যৌন হয়রানি বা ধর্ষণের জন্য সবচেয়ে খারাপ শহর হলো ভারতের দিল্লী ও এরপরেই আছে ব্রাজিলের সাও পাওলো। বিবিসি।
    পারমাণবিক যুদ্ধ যেকোনো সময়’ : জাতিসংঘে উ. কোরিয়ার উপরাষ্ট্রদূত কিম ইন রেয়ং
    চলমান কোরীয় পরিস্থিতি এমন সংকটজনক অবস্থায় পোঁছেছে যে, ‘যেকোনো মুহূর্তে পারমাণবিক যুদ্ধ বেধে যেতে পারে’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত উত্তর কোরিয়ার উপরাষ্ট্রদূত কিম ইন রেয়ং। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ইউএসএ টুডে জানাচ্ছে, সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ কমিটির কাছে এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন তিনি।
    কিম ইন রেয়ং আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ১৯৭০ সালের পর থেকে আজ পর্যন্ত পরমাণু হামলার হুমকির শিকার হয়ে আসছে তার দেশ। আর এ কারণে আত্মরক্ষায় পরমাণু অস্ত্র রাখার অধিকার রয়েছে উত্তর কোরিয়ার। তিনি আরো বলেন, প্রতিবছর শান্তিপূর্ণ কোরীয় অঞ্চলে ‘পরমাণু অস্ত্র’ নিয়ে সামরিক মহড়া চালিয়ে উত্তর কোরীয় নেতাকে সরানোর পরিকল্পনা করে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে এখন থেকে প্রতিবছর পারমাণবিক পরীক্ষাসহ বড় আকারের সামরিক মহড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। কিম জং উনকে উৎখাতে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন অভিযানের চেয়ে এই মহড়া আরো মারাত্মক হবে বলেও জানান তিনি।
    পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ কমিটির কাছে উপরাষ্ট্রদূত কিম ইন রেয়ং হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গোটা ভূখণ্ড এখন আমাদের হামলার আওতায় রয়েছে। কাজেই মার্কিন সরকার যদি উত্তর কোরিয়ার এক ইঞ্চি ভূমিতেও আগ্রাসন চালানোর ধৃষ্টতা দেখায় তাহলে সে পৃথিবীর কোনো প্রান্তে গিয়েই আমাদের শাস্তিমূলক পদক্ষেপ থেকে বাঁচতে পারবে না। তিনি বলেন, ‘কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতি বিস্ফোরণের পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে পরমাণু যুদ্ধ শুরু লেগে যেতে পারে।’ ইউএসএ টুডে।

    ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষেই জার্মানি

    ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে অপরিবর্তিত রয়েছে শীর্ষ ছয় দলের অবস্থান। গতকাল সোমবার প্রকাশিত সবশেষ র‌্যাঙ্কিংয়ে টানা দ্বিতীয় মাসের মতো সবার উপরে আছে জার্মানি।
    এরপর যথাক্রমে রয়েছে ব্রাজিল, পর্তুগাল, আর্জেন্টিনা, বেলজিয়াম এবং পোল্যান্ড। একধাপ উপরে উঠে ফ্রান্সের অবস্থান সপ্তম। তিন ধাপ উপরে উঠে ফরাসিদের পরে রয়েছে স্পেন। দলগুলো ইতোমধ্যে আগামী বছর অনুষ্ঠেয় রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে ফেলেছে।
    চিলি নবম অবস্থানে থাকলেও তারা বিশ্বকাপের টিকিট পায়নি। দশম অবস্থানে থাকা পেরুকে ওশেনিয়া অঞ্চলের বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে প্লেঅফ খেলে মূলপর্ব নিশ্চিত করতে হবে। এদিকে র‌্যাঙ্কিংয়ে আগের অবস্থান ১৯৬ নম্বরেই আছে বাংলাদেশ।

    নারীদের জন্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক শহর কায়রো; সবচেয়ে নিরাপদ লন্ডন, টোকিও

    নারীদের জন্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক মেগাসিটি কায়রো অপর দিকে লন্ডন ও টোকিও সবচেয়ে সেরা, ১ কোটির বেশি লোকের বাস এমন শহর গুলোতে নারীরা কীভাবে বেড়ে উঠছে তার উপর প্রথম আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞের জরিপে এ চিত্র দেখা যায়।

    টমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন পরিচালিত জরিপে বিশেষজ্ঞদের ১৯টি মেগাসিটিতে নারীদের ইস্যু কীভাবে নারীরা যৌন সহিংসতা থেকে ও ক্ষতিকারক সাংস্কৃতিক চর্চা থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করে এবং তাদের ভাল স্বাস্থ্যসেবা, অর্থ এবং শিক্ষার সুযোগ -ইত্যাদি নিয়ে প্রশ্ন রাখা হয়।

    কায়রো, আরব বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশের রাজধানী, বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছে, এরপরেই রয়েছে পাকিস্তানের করাচি, ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অফ দ্যা কঙ্গো’র কিনশাসা, ভারতের রাজধানী দিল্লি।

    লন্ডন সবচেয়ে মহিলা বান্ধবপূর্ণ শহর, তারপর টোকিও এবং প্যারিসের স্থান ছিল।

    এমন হার আগে দেখেনি বিশ্ব!

    দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অবশেষে সেঞ্চুরির দেখা পেল বাংলাদেশ। প্রথম বাংলাদেশী সেই সৌভাগ্যবান মুশফিকুর রহিম। একদিকে তার ব্যাটিং দৃঢ়তা অন্যদিকে সতীর্থদের কাছে থেকে পাওয়া ছোট ছোট কিন্তু কার্যকরী ইনিংসের সুবাদে লড়াইয়ের পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে কিম্বার্লিতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭৮ রান তোলে মাশরাফি বাহিনী। অপরাজিত ১১০ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন মুশফিক। ওয়ানডেতে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে যা সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত। এর আগে চট্টগ্রামে ২০১৫ সালে সৌম্য সরকার করেছিলেন ৯০ রানের ইনিংস। কিম্বার্লিতে গতকালের দলীয় সংগ্রহটিও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সর্বোচ্চ। আগের সর্বোচ্চ ছিল ২০০৭ সালে মিরপুরে করা ৮ উইকেটে ২৫১।
    জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার হাশিম আমলা ও ফাফ কুইন্টন ডি ককের সেঞ্চুরিতে কোন উইকেট না হারিয়ে ৪৩ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা (২৮২/০)। এর আগে ওয়ানডে ক্রিকেটে আড়াইশ’ বা ততোধিক রানের তাড়ায় ১০ উইকেটের জয় দেখেছিল একটি ম্যাচে। ২১টি চার ও দুটি ছক্কার ঝলমলে ইনিংস খেলে ডি কক অপরাজিত ছিলেন ১৬৮ রানে, আমলা ছিলেন ৮ চারে ১১০ রান নিয়ে। এর আগে সবচেয়ে বড় জয়টি ছিল ইংল্যান্ডের। গতবছর জানুয়ারিতে বার্মিংহ্যামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২৫৬ তাড়া করে জিতেছিল ইংলিশরা।
    তামিমের সাথে হঠাৎই বাংলাদেশের জন্য দুঃসংবাদ হয়ে আসে মুস্তাফিজুর রহমানের ইনজুরির খবর। অনুশীলনের সময় পায়ের গোড়ালিকে আঘাত পেয়েছেন কাটার মাস্টার। মাশরাফি বিন মর্তুজার সাথে তাই বোলিং আক্রমনে নেওয়া হয়েছে তাসকিন আহমেদ ও রুবেল হোসেনকে। তাদের সহায়তার জন্যে আছেন সাইফউদ্দিন। এই ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে গত এপ্রিলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-২০ ক্রিকেটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নাম লেখানো তরুণ এই পেস অল-রাউন্ডারের। এছাড়া সাব্বির রহমান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদদের সঙ্গে একাদশে ছিলেন নাসির হোসেনও।
    তবে তাদের সকলকে ছাপিয়ে এগিন কিম্বার্লির নায়ক একজনই, মুশফিক। তার হাত ধরেই যে ঘুচল সেঞ্চুরির অপূর্ণতা। এই ম্যাচের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডেতে মুশফিকের রেকর্ড ছিল বিবর্ণ। আগের পাঁচটি ইনিংস ৬, ১, ২, ৩ ও ২৪ রানের। এবার উপহার দিলেন দুর্দান্ত এক ইনিংস। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুটি সেঞ্চুরি আছে মুশফিকের। পাকিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে একটি করে। তার আগের চার সেঞ্চুরির তিনটি দেশের মাটিতে, অন্যটি জিম্বাবুয়েতে। দক্ষিণ আফ্রিকায়ও বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি করলেন মুশফিক। দেশটিতে আগের সেরা ছিল মোহাম্মদ আশরাফুলের ৭৩। পঞ্চম সেঞ্চুরিতে শাহরিয়ার নাফীসকে (৪) ছাড়িয়ে গেলেন মুশফিক। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে তার চেয়ে বেশি সেঞ্চুরি আছে কেবল তামিম ইকবাল (৯) ও সাকিব আল হাসানের (৭)।
    ওয়ানডে সিরিজের আগে মোটেও ভালো অবস্থায় ছিলেন না টেস্ট অধিনায়ক মুশফিক। বাজে দুই হারের দায় কিছুটা ছিল তার কাঁধে। সংবাদ সম্মেলনে বোলারদের সমালোচনা করে নিজেই পড়েছিলেন সমালোচনার মুখে। সংবাদ সম্মেলনে তার কথা-বার্তা পছন্দ হয়নি বোর্ডের। সামনে নেতৃত্ব হারানোর শঙ্কা। সেই মুশফিক ওয়ানডেতে লড়লেন বুক চিতিয়ে। দলকে পথ দেখালেন সামনে থেকে। তার ব্যাটিং দেখে মনে হয়নি, এতটা চাপে আছেন। শুরু থেকেই খেলেছেন শট। একেকটি চার-ছক্কায় বেড়েছে রানের গতি। চাপও সব যেন সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
    মুশফিক যখন ক্রিজে আসেন তখন খুব একটা ভালো অবস্থায় ছিল না বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে দুটি জুটিতে দলকে গড়ে দেন ভিত। এক প্রান্তে উইকেট পড়তে থাকলেও মুশফিক ছিলেন অবিচল। ডেন প্যাটারসনকে ছক্কা হাঁকিয়ে ৫২ বলে ফিফটিতে পৌঁছান মুশফিক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংসকে পরিণত করেন সেঞ্চুরিতে। কাগিসো রাবাদার বলে দুই রান নিয়ে তিন অঙ্কে যান তিনি। ১০৮ বলের ইনিংসে সেঞ্চুরি পেতে দুটি ছক্কার সঙ্গে হাঁকান ১০টি চার। বাংলাদেশের ইনিংসের মেরুদÐ মুশফিকের এই ইনিংস। চারে নেমে শেষ পর্যন্ত ১১০ রানে অপরাজিত ১১৬ বলে।
    ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১ রান আসে ইমরুলের ব্যাট থেকে। এছাড়া লিটন (২১), সাকিব (২৯), মাহমুদুল্লাহ (২৬), সাব্বির (১৯), নাসির (১১) সবাই দারুণ শুরু করেও কেউই নিজেদের ইনিংস টেনে লম্বা করতে পারেনি। তবে এক প্রান্তে অবিচল ছিল মুশফিকের ব্যাট। দারুণ ব্যাটিংয়ে তুলে নেন ক্যারিয়ারের পঞ্চম শতক। ১১৬ বলে ১১টি চার ও দুই ছক্কায় অপরাজিত ১১০ রানের ইনিংস উপহার দেন মুশফিক। অভিষিক্ত মোহাম্মাদ সাইফউদ্দিন ইনিংসের শেষ বলে ক্যাচ আউট হওয়ার আগে একটি করে চার ও ছক্কায় ১১ বলে করেন ১৬ রান। প্রোটিয়াদের হয়ে ৪৩ রানে ৪ উইকেট নেন কাগিসো রাবাদা, ৪৮ রানে ২টি নেন ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস।
    স্কোর কার্ড
    বাংলাদেশ-দ.আফ্রিকা, ১ম ওয়ানডে
    টস : বাংলাদেশ, কিম্বার্লি
    বাংলাদেশ ইনিংস রান বল ৪ ৬
    ইমরুল ক ডি কক ব প্রিটোরিয়াস ৩১ ৪৩ ৪ ১
    লিটন ক ডু প্লেসি ব রাবাদা ২১ ২৯ ৪ ০
    সাকিব ক আমলা ব তাহির ২৯ ৪৫ ২ ০
    মুশফিক অপরাজিত ১১০ ১১৬ ১১ ২
    মাহমুদউল্লাহ ক মিলার ব প্রিটোরিয়াস ২৬ ২৭ ৩ ১
    সাব্বির ক প্যাটারসন ব রাবাদা ১৯ ২১ ১ ১
    নাসির ক আমলা ব রাবাদা ১১ ৮ ২ ০
    সাইফ ক প্যাটারসন ব রাবাদা ১৬ ১১ ১ ১
    অতিরিক্ত (লেবা ৫, ও ১০) ১৫
    মোট (৭ উইকেট, ৫০ ওভারে) ২৭৮
    উইকেট পতন : ১-৪৩ (লিটন), ২-৬৭ (ইমরুল), ৩-১২৬ (সাকিব), ৪-১৯৫ (মাহমুদউল্লাহ), ৫-২৩৭ (সাব্বির), ৬-২৫৩ (নাসির), ৭-২৭৮ (সাইফ)।
    বোলিং : রাবাদা ১০-১-৪৩-৪, প্যাটারসন ৯-০-৬৯-০, তাহির ১০-০-৪৫-১, প্রিটোরিয়াস ১০-০-৪৮-২, ফেহলুকাওয়ে ১০-০-৬০-০, ডুমিনি ১-০-৮-০। অসমাপ্ত

    ইন্টারনেট থেকে শীত নিবারণ!

    শিরোনামটি অনেকের কাছে বিভ্রান্তিকর লাগতে পারে। মনে হতে পারে ইন্টারনেটের পক্ষে কিভাবে শীত নিবারণ সম্ভব। তবে এই প্রকল্পে জড়িতরা বলছেন, ইন্টারনেট নিজে না পারলেও এর ডাটাসেন্টারে উত্পাদিত তাপ ব্যবহার করে বাসিন্দাদের বাড়িঘর গরমের জন্য প্রয়োজনীয় তাপ সরবরাহ করা সম্ভব। আর সেই চেষ্টাই করছে সুইডেন।

    ইন্টারনেটের ডাটাসেন্টারে গেলে নজরে পড়বে ছিমছাম পরিচ্ছন্ন ঘরে হাজার হাজার কম্পিউটার সারি সারি রাখা। ভেতরে ঠান্ডা হাওয়া। অথচ আমরা ভালো করেই জানি একটি কম্পিউটার যখন চলে তখন পেছন দিক দিয়ে কি পরিমাণ গরম হাওয়া বের হয়। যারা কোলের উপর ল্যাপটপ রেখে কাজ করেন তারা বিষয়টি হাড়ে হাড়ে টের পান। তাহলে হাজার হাজার কম্পিউটার একসাথে দিনরাত ২৪ ঘন্টা বিরামহীন চললে কি পরিমাণ তাপ উত্পন্ন হয় তা সহজে অনুমেয়।  কম্পিউটারগুলোকে টানা চালু রাখতে গেলে এই তাপ শোষণ করে শীতল হাওয়া সরবরাহ করতে হয়।

    সুইডেনের স্টকহোমে অবস্থিত ডাটাসেন্টারের তাপ বের করে ভেতরের পরিবেশ শীতলীকরনের কাজ করে ফরটুম ভার্মি নামের একটি প্রতিষ্ঠান। সেন্টারের চারপাশ দিয়ে বসানো আছে বিশেষভাবে তৈরী পাইপ। এই পাইপের ভেতর দিয়ে শীতল পানি প্রবাহিত হয়। ডাটাসেন্টারে উত্পন্ন হওয়া তাপ শোষণ করে এই পানি গরম হয়ে যায়। এরপর প্রচন্ড গরম এই পানি বহির্গমন পথ দিয়ে বাইরে চলে যায়। কিন্তু ফরটুম ভার্মি পরিকল্পনা করেছে এই গরম পানি ব্যবহার করে বিশেষ কায়দায় আগামী বছর নাগাদ স্টকহোমের ২৫০০ আবাসিক বাড়িতে শীত নিবারনের ব্যবস্থা করবে। ডাটাসেন্টারে উত্পাদিত তাপ অপচয় করতে রাজি নয় প্রতিষ্ঠানটি। আর দীর্ঘমেয়াদে তার লক্ষ্য ২০৩৫ সাল নাগাদ দেশের ১০ শতাংশ আবাসিক বাড়িতে ডাটাসেন্টারের তাপ ব্যবহার করা। সরকারি সূত্র জানায়, স্টকহোমের ২০ হাজার বাড়িতে শীত নিবারনের জন্য পর্যাপ্ত তাপ উত্পাদন করতে কমপক্ষে ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ খরচ হয়। ফেসবুক ডাটাসেন্টারে ১২০ মেগাওয়াট শক্তি খরচ হয়।

    এই প্রকল্পের সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, আমরা এতদিন ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও ইন্টারনেটের এই ‘উপজাত’ নিয়ে একটুও ভেবে দেখিনি। ডাটাসেন্টারে উত্পাদিত তাপ শত শত ফ্যান দিয়ে টেনে বাইরে বের করে দেয়া হতো। পরে পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করে তাপ শোষণ প্রযুক্তি ব্যবহার কর হয়। এখন এই তাপও যে মানুষের কাজে লাগানো যাবে সেটা অনেকের কল্পনাতেও ছিল না।

    ‘প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে’

    আল্লাহ রাববুল আলামীন কুরআনে কারীমে ইরশাদ করেন-

    كُلُّ نَفْسٍ ذَآىِٕقَةُ الْمَوْتِ ؕ

    প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।

    যে কোন প্রাণীই হোক তার উপর মৃত্যু একবার আসবেই। ভালো হোক খারাপ হোক তাকে মরতে হবে। আপনারা পত্রিকায় পড়েছেন হয়তো, গত মঙ্গলবার মাগরিবের পর দুনিয়া থেকে এক বড় বুযুর্গ আল্লাহর খাস ওলী হযরত মাওলানা শাহ আবরারুল হক রহ. দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে গেছেন। ইন্তেকাল করেছেন আবরারুল হক হারদুঈ রহ.। বাংলাদেশে খুব আসা-যাওয়া ছিল তাঁর। অনেক বারই এসেছেন। সর্বপ্রথম ১৯৮১ তে এসেছিলেন। ২০০৪ এর ডিসেম্বরে শেষ বার এসেছেন। প্রায় সপ্তাহ খানেক ছিলেন। বয়সও হয়ে গিয়েছিল তাঁর ৮৫ থেকেও বেশি। মাঝে একবার বেশি অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন। এত বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন যে, আশা ছিল না তিনি দুনিয়াতে থাকবেন। এরপর আল্লাহ রাববুল আলামীন সুস্থ করলেন। সুস্থ হওয়ার পর আরো প্রায় চার বছরের মত তিনি দুনিয়াতে ছিলেন। এরপর চলে গেছেন।

    এ রকম দুনিয়াতে যেই আসে সেই চলে যাবে। এখানে আসার অর্থই তাকে যেতে হবে। আর আসার পর থেকেই যাওয়ার সময় এগুচ্ছে। একজন লোক আসার পর থেকে আমরা দেখছি সে বড় হচ্ছে। কিন্তু আসলে তার যাওয়ার সময় ঘনিয়ে আসছে। যাওয়ার দিকে সে অগ্রসর হচ্ছে। এই দুনিয়াতে কতজন আসে আবার কতজন যায়। কারো যাওয়াটা একটা বড় বিষয় আর কারো যাওয়াটা কোন বিষয়ই নয়। কোথায় সেই হিন্দুস্তানে আবরারুল হক সাহেবের ইন্তেকাল হয়েছে, কিন্তু হরদুঈ এলাকা বা শুধু হিন্দুস্তান নয়, পাকিস্তান, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে আলোচনা চলছে যে, আল্লাহর খাস এক ওলী ছিলেন তিনি। মানুষকে সঠিক রাস্তা দেখাতেন, সুন্নতের রাস্তা দেখাতেন, খারাপ ছেড়ে ভালো পথে চলার পথ দেখাতেন। এই নেক কাজ তিনি করতেন, মানুষকে নেক কাজের উপর প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তাঁর দিন-রাতের সাধনা ছিল এবং জীবন-মরণ শুধু সুন্নতের জন্যই ছিল। কিভাবে সুন্নাত প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, প্রতিটা ঘরে প্রতিটি ব্যক্তির মধ্যে কিভাবে সুন্নতী জীবন আসতে পারে এবং কিভাবে মানুষ গুনাহ থেকে, বিদআত থেকে, কুফর ও শিরিক থেকে বাঁচতে পারে- সেই এক ফিকির আর মাথা ব্যথা ছিল সর্বদা। উম্মতের দরদে, উম্মতের ব্যথায় তিনি ব্যথিত ছিলেন সব সময়। এই কথাটাই দেখবেন এখন আলোচনা হচ্ছে। শুধু এখানে নয় সব জায়গায়। কারণ তিনি নিজেকে আল্লাহর জন্য ওয়াকফ করে দিয়েছিলেন, নিজের জীবনকে আল্লাহর দ্বীনের জন্য ওয়াকফ করে দিয়েছেন।

    ‘আমার জীবন আমার মরণ আল্লাহর জন্য।’ তিনি তাঁর জীবনকে আল্লাহর জন্য ওয়াকফ করে দিয়েছেন। আর আল্লাহর বিধান এবং আ্ল্লাহর নীতি হল, যে আল্লাহর জন্য হয়েছে, নিজেকে আল্লাহর কাছে সোপর্দ করে দিয়েছে আল্লাহর জন্য ওয়াকফ করে দিয়েছে আল্লাহ তার হয়ে যান। আর যখন আল্লাহ তার হয়ে যাবেন তখন সকল মানুষ তার হয়ে যাবে। সমস্ত মাখলুকের অন্তর তো আল্লাহর হাতে। আল্লাহর কুদরতের কব্জায়। মাখলুকের দিলের খালেক আল্লাহ, দিলের মালিক আল্লাহ। তাদের অন্তরে তোমার মুহাববত আল্লাহই দিয়ে দিবেন। তো আজকে হযরত আবরারুল হক রহ. এর জীবনী বলা উদ্দেশ্য নয়, জীবনী বের হবে। পত্রিকায়ও আপনারা কিছু পড়েছেন, আরো অনেক কিছু জানা যাবে। যে কথাটা আজকের মজলিসে আমি বলতে চাই সেটা হল এই যে, আল্লাহর বান্দারা যাচ্ছেন। চলে যাচ্ছেন আল্লাহর ওলীরা। তাঁদের জীবন থেকে আমাদের অনেক কিছু নেওয়ার আছে। কুরআন মাজীদে আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন-

    اُولٰٓىِٕكَ الَّذِیْنَ هَدَی اللّٰهُ فَبِهُدٰىهُمُ اقْتَدِهْ ؕ

    এদেরকে আল্লাহ তাআলা হেদায়েত দান করেছেন। সুতরাং তুমিও তাদের পথের অনুসরণ কর। তুমিও তাদের হেদায়েতের পথে চল। যাদেরকে আল্লাহ তাআলা হেদায়াত দান করেছেন। যারা সিরাতে মুস্তাকীমের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আনিত শরীয়তের উপর, রাসূলের সুন্নতের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। আল্লাহ বলেছেন, তুমি তাদের রাস্তায় চল। তাহলে সেটাই হল নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর   রাস্তা, সাহাবায়ে কেরামের রাস্তা। আর নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে রাস্তায় চলেছেন সেটাই হেদায়েতের একমাত্র রাস্তা। আল্লাহকে রাজী-খুশি করার, আল্লাহকে পাওয়ার একমাত্র রাস্তা। তো এই যে লোকটা জীবনভর সুন্নতের দাওয়াত দিয়ে গেলেন, তাঁর শিক্ষা-দীক্ষার মধ্যে ছোট ছোট কিছু কথা আছে। একেবারে ছোট ছোট এক-দুইটা বাক্য, অল্প কয়েকটা কথা। যদি ভালোভাবে বুঝে এগুলোর উপর আমল করা যায় তাহলে সুন্নত এবং শরীয়তের রাস্তায় চলা আমাদের জন্য অনেক আসান। এই ধরনের কথা তাঁর জীবনে এবং শিক্ষা-দীক্ষার মধ্যে অনেক আছে। এটা তাঁর আবিস্কৃত নয়, তার আবিষ্কৃত হলে কে তার অনুসরণ করত? সব রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের জীবন ও সীরাত থেকে নেওয়া জিনিস। সে জন্যই বলা।

    একটা ‘মাকূলা’ তিনি বলতেন বেশি বেশি ‘মা লা ইউদরাকু কুল্লুহু লা ইউতরাকু কুল্লুহু।’ আমরা বাংলায়ও বলি- ‘পূর্ণ নয় তো আধাই সই।’ এটা একটা থিওরি ছিল তার। এটা সহজ সরল কথা, যা দুনিয়ার ব্যাপারে আমরা বুঝি, আখেরাতের কাজের ব্যাপারে এটার দিকে লক্ষ করি না। আবরারুল হক সাহেব বলতেন, এটার দিকে তোমরা লক্ষ রাখ। যেটুকু পার শুরু কর। আমরা মনে করি, আহা বুযুর্গ হতে জানি কত কিছু করা লাগে। এত কিছু কি করা যাবে? এর জন্য অনেক বড় সাধনা দরকার। একেবারে বড় কোরবানী দরকার, ত্যাগ-তিতিক্ষা দরকার। সেটার জন্য তো আমরা ফারেগ নই। সেই সুযোগ আমাদের নেই। সেই হিম্মত আমাদের নেই। হযরত বলেন যে, না এটা কোনা কথা নয়। বরং তুমি রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দুটি হাদীসের দিকে লক্ষ কর। অর্থাৎ কোনো নেক কাজকে ছোট মনে করে ছেড়ে দিবে না। এমন ভাববে না যে, এটুকু করলে আর কি হবে? আল্লাহর রাসূল বলেন, যেটুকু পার সেটুকুই কর। এটুকু করলেও অনেক কিছু করা হবে। কতটুকু? চিন্তাও করবেন না আপনি যে, এটাও একটা নেক কাজ। রাসূল বলছেন, একজন কুয়া থেকে পানি নিয়ে এসেছে। তুমিও পানি উঠাচ্ছ। তুমি তোমার পাত্র দিয়ে তার পাত্রে একটু পানি ঢেলে দাও, এটা একটা নেক কাজ। একজন মুরুববী ওযু করবেন, তাকে কল চিপে এক লোটা পানি ভরে দাও। এই যে একটা নেক কাজ এটাকে তোমরা ছোট মনে করো না। এটাও তোমার কাজে আসবে, তোমার উপকারে আসবে। এমনকি একজনের সাথে সাক্ষাত হয়েছে তো তার সাথে হাসিমুখে সাক্ষাত কর। হাসিমুখে জিজ্ঞাসা কর- ভাই ভালো আছেন? হাসিমুখে সাক্ষাত না করে যদি একেবারে মুখ কালো করে একজনের সামনে দিয়ে সালাম কালাম ছাড়া চলে যায় তাহলে তার কাছে খারাপ লাগবে না? সালাম দিলে সে ওয়া আলাইকুমুস সালাম বলল। কেমন আছেন জিজ্ঞাসা করলে সে বলল ভাল আছি। এটাকে তো তুমি কিছুই মনে করলে না। আল্লাহর রাসূল বলেন, এটাও একটি নেক কাজ। এটাকেও তুমি ছোট মনে করো না। এর মানে এই নয় যে, আমাকে বড় নেক কাজ করতে হবে না। তা না। তারপরও ছোটগুলোকে ছোট মনে করে যে ছেড়ে দিচ্ছ এতে তুমি অনেক সওয়াব হাতছাড়া করছ। এটা করো না। এই হাদীসের উপর বেশি বেশি আমল কর। কোন নেকীকে ছোট মনে করে ছাড়বে না। আর আরেকটি হাদীস – ‘কোন গুনাহকে ছোট মনে করবে না’ যে, এটা করলে কী হবে? এটাতো ছোট্ট একটা অপরাধ। অপরাধ তো অপরাধই। ছোট হোক না কেন। গুনাহ তো গুনাহই। পাপ পাপই, ছোট আর বড় কী? নাফরমানীটা কার সাথে হচ্ছে দেখতে হবে না? তাহলে অপরাধটা ছোট হোক আর বড় হোক কিন্তু যার সাথে অপরাধ, যার অবাধ্যতা, তিনি কি ছোট? নাউযুবিল্লাহ তিনি তো সেই মহান রাববুল আলামীন । তাহলে এ গুনাহ ছোট বা এটা করলেই আর কী হবে- এমন মনে করব না। অপরাধতো অপরাধ। গুনাহ তো গুনাহই। এটা ছোট হলেও আমি করব না। আর নেক কাজ ছোট হলেও যেহেতু নেক কাজ তাই আমি করব। এই থিওরি এবং যেটা হাদীসের কথা সেটা খুব বেশি বেশি করব। যা পার শুরু কর। সবগুলো এক সাথে ধরতে পারবে না। তো একটা একটা করে শুরু কর। কিন্তু আমাদের সমস্যা হল সব নেক কাজ করতে পারব না এজন্য একেবারে ছোটগুলোও করব না। যেটা পারি ওটাও করব না। দুনিয়া পাল্টে গেছে। যমানা পাল্টে গেছে। এখন এই সমস্ত পুরান ওয়াজ করলে চলে না। এখন নেক আমল করতে সমস্যা। সমাজ এটাকে বাধা দেয়। কিন্তু হাজারো নেক আমল এমন আছে যেগুলোতে সমাজ কিছু বলবে না। বিবাহে আলোকসজ্জা না করলে, অপচয় না করলে হয়তো কিছু বলবে। ছেলেকে বিয়ে করাল অথচ কিছুই করল না। আমি সমাজে থাকব, তাদের সাথে বসবাস করব, তাই আমি তাদের মন-মানসিকতার বিরোধিতা কি করে করি। বুঝলাম এটা আপনার দুর্বলতা যার ফলে এ নেক কাজটা আপনি করতে পারলেন না। কিন্তু এই মসজিদে ঢুকতে এবং বের হতে কতগুলো সুন্নত, ডান পা দিয়ে ঢোকা সুন্নত, বিসমিল্লাহ পড়া সুন্নত, দরুদ শরীফ পড়া সুন্নত। বিসমিল্লাহী ওয়াসসালাতু ওয়াসসালামু আলা রাসূলিল্লাহ আল্লাহুম্মাফতাহলি আবওয়াবা রাহমাতিক, এটুকু দোয়া শেখার ব্যাপার শুধু। আর দোয়াটা মুখস্থ হওয়া পর্যন্ত শুধু বিসমিল্লাহই পড়ি। আর ‘আল্লাহুম্মাফতাহলী আবওয়াবা রাহমাতিক’ তো লেখাই থাকে মসজিদের সামনে। এটা পড়লেন। ডান পা দিয়ে ঢুকলেন বের হওয়ার সময় আগে বাম পা দিয়ে বের হলেন, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিকা’ পড়লেন। এখানেও ঢোকার সময়ের মত বিসমিল্লাহ আছে দুরূদ শরীফ আছে। বের হওয়ার সময়ও ‘বিসমিল্লাহী ওয়াসসালাতু ওয়াসসালামু আলা রাসূলিল্লাহ আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিকা’ পড়ে নিলেন। এতেও কি সমাজে বাধা দিবে? ঘরে ঢুকতে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে ডান পা দিয়ে ‘বিসমিল্লাহ’ বললে সমাজ বাধা দিবে? কেউ বাধা দিবে না। সমাজ কিসের নাম? আমার আর আপনার নামইতো সমাজ। আমি আপনি ঠিক হলেইতো সমাজ ঠিক হয়ে যাবে। এমনিভাবে যমানা কিসের নাম? যমানা পাল্টে গেছে না আমরা পাল্টেছি? বরং আমরা পাল্টে গেছি। সমাজে তো আসমান থেকে এসে কোন কিছু নাযিল হয়নি। সমাজ আমি আর আপনিই তো। যে বিষয়টা আমি বুঝছি। সে বিষয়টাকে বিবেক ও শরীয়ত খারাপ বলছে সেটা আমি বলি না কেন? এটা গলত কাজ অতএব আমি তা করব না। আমি একথা বলি, তারপর আরেকজন বলবে। আবার আরেকজন বলবে। তাতেই তো সমাজ ঠিক হয়ে যাবে। আপনি বলবেন, আমি বললে কি হবে আরেকজন তো বলবে না। কিন্তু তাতে কি যায় আসে? আপনি বলুন। আপনাকে কি কেউ মেরে ফেলবে নাকি? কেটে ফেলবে আপনাকে?

     

    কেন মানবাধিকারের এই যমানায় যদি আপনি সমাজের বিরোধিতা করে কোন কাজ ছাড়েন তাহলে আপনাকে মেরে ফেলবে কেউ? সেই বর্বর যুগ তো চলে গেছে। এখন তো স্বর্ণযুগ, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার যুগ (!) এ যুগে কেন ভয় পান আপনি? যেটাকে খারাপ মনে করি, সমাজের প্রত্যেকটি মানুষ খারাপ মনে করে তাও করব? আনুষ্ঠানিকতা খারাপ। তা করব কেন? সমাজ, সামাজিক চাপ। সবাই এই কথা বলি। কিন্তু কে কাকে চাপ দেয়? এটা স্মরণ রাখতে হবে আমাদেরকে। সমাজ ভিন্ন কিছুর নাম নয়, বরং আমার আপনার নাম। যমানা বদলায়নি। আমি আর আপনি বদলেছি। তাহলে আমরা যদি পরিপূর্ণ সংকল্প নিয়ে এগুলো করার ইচ্ছা করি এবং দুই একজনে হিম্মত করে নিজেদেরকে সঠিক রাস্তায় আনার এবং গলত কাজ থেকে বাঁচার জন্য কাজ শুরু করি অল্প কয় দিনেই দেখবেন যমানা ঠিক হয়ে গেছে, সমাজ ঠিক হয়ে গেছে। এই কথাটা আবরারুল হক সাহেব বার বার বলতেন যে, সমাজের দিকে তাকিও না, যমানা পাল্টে পেছে এই সমস্ত অজুহাত দিও না।

    শরীয়তের মাসআলা কী? সুন্নত তরীকা কী? তুমি সেটা শোন। আলেমদের থেকে বুঝ। আর হিম্মত করে এটার উপর আমল শুরু কর। তোমাকে দেখে দেখে অন্যেও পাল্টাতে থাকবে নিজেদের তরীকা। তুমি তাদেরকে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। এরকম রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাতের, সীরাতের অনেক দিক তিনি বার বার বলতে বলতে অনেক কিছুর পরিবর্তন শুধু তাঁর এলাকায়ই নয় অনেক জায়গায় এরকম অনেক পরিবর্তন এসেছে। এমনকি সেই পরিবর্তন অনেককে খারাপ কাজ ফেলে রাসূলুল্লাহর সেই আসল সুন্নাত এবং তরীকার দিকে নিয়ে গেছে।

    মেসির হ্যাটট্রিক, বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা

    খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, তার কাঁধে চড়েই দল উঠেছিল বিশ্বকাপের ফাইনালে। সেই লিওনেল মেসির কাঁধে চড়েই সব শঙ্কা দুর করে এবার বিশ্বকাপের মূলপর্ব নিশ্চিত করল আর্জেন্টিনা। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ে তিনটি গোলই করেন ফুটবল জাদুকর।

    দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে ছয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণও ছিল অনিশ্চিত। ইকুয়েডরে আজ তাই জিততেই হতো আর্জেন্টিনাকে। কিন্তু দলের সাম্প্রতিক হতচ্ছাড়া ফুটবল আর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭শ’ মিটার উচ্চতার বৈরী আবহাওয়া চোখ রাঙাচ্ছিল মেসিদের। এরপর ম্যাচ শুরু হয়ে ঘড়িতে মিনিটের কাটা একবার ঘুরে আসার আগেই গোল খেয়ে বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন আরো ধুসর করে ফেলে দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

    কিন্তু দলে যে আছেন একজন লিওনেল মেসি। দলকে সমতায় ফেরাতে ফুটবল জাদুকর সময় নেন মাত্র ১১ মিনিট। অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার সাথে ওয়ান টু খেলে দলকে সমতায় ফেরান তিনি। আট মিনিট বাদে একক প্রচেষ্টায় এগিয়ে নেন দলকে।

    এরপরও ইকুয়েডরের বৈরী আবহাওয়ায় ঠিক ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিল না আর্জেন্টাইনরা। বল দখলের লড়াইয়েও তারা ছিল পিছিয়ে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের ১৭তম মিনিটে আবারো চোখ জুড়ানো এক শৈল্পিক জাদুতে ব্যবধান ৩-১ করে দেন মেসি। ১৯৭০ সালের পর বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কা কাটিয়ে তার দলও পৌঁছে যায় বিশ্বকাপের মূলপর্বে।
    একই রাতে বলিভিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে রাশিয়ার টিকিট হাতে পেয়েছে উরুগুয়ে। পেরুর মাঠে ১-১ গোলে ড্র করে উরুগুয়ের সঙ্গী কলম্বিয়া। তবে ব্রাজিলের কাছে ৩-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপের স্বপ্ন চূর হয়েছে টানা দুবারের কোপা চ্যাম্পিয়ন চিলির। পাঁচে থেকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে পেরু। প্রথম দল হিসেবে এই অঞ্চল থেকে আগেই বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে ব্রাজিল।

    আপনি দেশত্যাগ করবেন না: প্রধান বিচারপতিকে বার সভাপতি

    সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেছেন, আপনি (প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা) দেশত্যাগ করবেন না। দেশের মানুষ আপনার সঙ্গে আছে। আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা আপনাকে স্বপদে বহাল করব।
    গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বার সভাপতি এসব কথা বলেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করে তার বক্তব্য জানার চেষ্টা করুন। তিনি স্বেচ্ছায় ছুটিতে গেছেন কি না এটা জাতি জানতে চায়।
    সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বিচার বিভাগ আজ গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার। যেখানে প্রধান বিচারপতি নিজেও ছাড় পাচ্ছেন না।
    বার সম্পাদক এম মাহবুবউদ্দিন খোকন বলেন, প্রধান বিচারপতি বিদেশ যেতে চান না। রবিবার দিনভর উনার বাস ভবনে জিও  লেটারে সই দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু তিনি সই করেননি। আইনজীবীদের আহ্বান, আপনি কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।
    মানববন্ধনে আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, সানাউল্লাহ মিয়া, তৈমুর আলম খন্দকার, বার সহ-সভাপতি উম্মে কুলসুম রেখা, সদস্য আয়শা আক্তার, শামীমা সুলতানা দীপ্তি, রুহুল কুদ্দুস কাজল, মোহাম্মদ আলী এবং  গাজী কামরুল ইসলাম সজলসহ শতাধিক আইনজীবী অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে আইনজীবীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

    হোক্কাইদো ভিডিওতে ধরা পড়লো বিরল প্রজাতির কালো শিয়ালঃ উৎস অজানা

    উত্তর হোক্কাইদো’তে ধারণ করা একটি ভিডিও থেকে বিশেষজ্ঞরা একটি কালো শিয়াল সনাক্ত করেছেন কিন্তু তারা এর উৎস সম্পর্কে কেবল মাত্র অনুমানই করতে পারছেন কেননা এটি একটি অত্যন্ত বিরল প্রজাতির শিয়াল।

    একটি গতি-সক্রিয় ক্যামেরা সেপ্টেম্বরের ২৩ তারিখ বিকেল ৩টার দিকে সম্পূর্ণ কালো রঙা রেড ফক্স শিয়ালটির হেঁটে যাওয়ার দৃশ্য ধারণ করে।

    “আমি তো প্রথমে ওটাকে কুকুর ভেবেছিলাম” শিরেতোকো যাদুঘরের কিউরেটর তাকাহিরো মুরাকামি (৪৭) বলেন, “কিন্তু মনে হলো লেজটা কুকুরের তুলনায় খুব বেশি মাত্রায় ফুঁয়োফুঁয়ো লাগছে এবং পরে দেখলাম আসলে ওটা শিয়াল।”

    “যাদুঘরে ১০ বছরের কর্মজীবনে আমি এই প্রথম কোনো কালো শিয়াল দেখলাম”।

    মুরাকামি বলেন, শিয়ালের জন্যে কালো একটি বিরল রং এবং জিনগত পরিবর্তনের ফলে তা ঘটে থাকতে পারে।

    তিনি আরো জানান, লোমের জন্যে তাইশো যুগ (১৯১২-১৯২৬) এবং শোওয়া যুগে (১৯২৬-১৯৮৯) কানাডা সহ বিভিন্ন স্থান থেকে কালো শিয়াল আমদানি করা হয়েছিলো এবং সেগুলোই পরে বন্য হয়ে থাকতে পারে এবং তাদের জিন স্থানান্তর করে থাকতে পারে।

    হোক্কাইদো ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক হেলথ’র মেডিকেল জীববিজ্ঞান গবেষক কোজি উরাগুচি (৫৯) বলেন কয়েকটি আইনু শব্দ রয়েছে যে গুলো “কালো শিয়াল”কে উদ্ধৃতি করেছে।

    “প্রাচীন জাপানে কালো শিয়াল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে কিন্তু তারা খুবই বিরল” উরাগুচি বলেন “আমি বুনো শিয়াল পর্যবেক্ষণ করে আসছি ৩০ বছর ধরে এবং এ পর্যন্ত মাত্র দু’টি কালো শিয়াল দেখতে পেয়েছি”।

    ফুকুশিমা প্রিফেকচারে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত

    শুক্রবার রাত ১১টা ৫৬ মিনিটে ফুকুশিমা প্রিফেকচার ও তার আশেপাশে শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিলো ৫.৯।

    ০ থেকে ৭ মাত্রার জাপানি স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিলো ৫ এর কম।

    জাপানের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিলো ফুকুশিমা প্রিফেকচারের উপকূলের নিকট মাটির ৫০ কিলোমিটার গভীরে। ধারণা করা হচ্ছে এটি ছিলো ২০১১ সালের ১১ মার্চের ভূমিকম্পের আফটারশক। সুনামির কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি।

    ফুকুশিমা ১নং পরমাণু চুল্লী সহ তোহোকু অঞ্চলে পারমাণবিক স্থাপনা গুলোতে কোনো ধরণের অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়নি।

    জাপান মার্কিন গরুর মাংসরক্ষারপর্যালোচনা প্রস্তাব প্রস্তাব

    জাপান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই মাসে উচ্চ পর্যায়ের অর্থনৈতিক আলোচনায় জরুরি কর পর্যালোচনা প্রস্তাব করা হয়েছে।

    দেশের কৃষকদের রক্ষা করার জন্য আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের হিমায়িত গরুর মাংস আমদানির উপর জারি করা হয়েছিল। একটি নির্দিষ্ট মাত্রা অতিক্রম করে গেলে ৩৮.৫ থেকে শুরু করে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কর বসানো হয়েছে।

    মার্কিন সরকার জাপানের গৃহীত ব্যবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, কেননা তারা জাপানে তাদের রপ্তানি সম্প্রসারণ করতে চাইছে।

    জাপানি কর্মকর্তারা প্রতি মাসে একবারের পরিবর্তে প্রতি ১০ দিনে একবার আমদানি পরিমাণ পরীক্ষা করার প্রস্তাব দিচ্ছেন। এটি প্রচলিত ব্যবস্থাতেই উত্তরোত্তর সমন্বয় সাধন করতে পারে।

    আমেরিকার দাবি আরো কঠোর হওয়া ঠেকাতেই এই প্রস্তাব করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এনএইচকে।

    অলিম্পিক সাইট গুলোতে ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা সীমা অতিক্রম করে গেছে

    ২০২০ টোকিও অলিম্পিক এবং প্যারালিম্পিক সাইট গুলোতে ব্যাকটেরিয়া সহ অন্যান্য উপাদানের উপস্থিতি অনুমোদিত স্তরের চেয়ে উচ্চতর পাওয়া গেছে।

    টোকিওর সাংগঠনিক কমিটি এবং টোকিও মেট্রোপলিটন সরকার ২৬ জুলাই এবং সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে শহরের ওয়াটারফ্রন্ট এলাকা এবং ওদাইবা মেরিন পার্কে জলবায়ুর জরিপ পরিচালনা করে।

    পার্কটিকে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ উন্মুক্ত সাঁতার এবং ট্রাইথলনের ভেন্যু হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

    জরিপের ফলাফলে কলিনফর্ম ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য পদার্থ ২৬ দিনের অর্ধেকের বেশি সময়ের জন্যে জাপান সরকার এবং গেমস আইনে নির্ধারিত মান অতিক্রম করে গেছে।

    পার্কে পানির গুণমান উন্নত করার জন্য মেট্রোপলিটন সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলি বিবেচনা করবে এবং ক্রীড়া সংগঠন ও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটিকে বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করবে।

    রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রশংসায় যুক্তরাষ্ট্র

    যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে ষষ্ঠবারের মতো দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সংলাপে দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা, আঞ্চলিক শান্তি, সমৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
    একইসঙ্গে মানবিক সহায়তা, শান্তিরক্ষা মিশন, প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, সামরিক সহযোগিতা, সন্ত্রাস মোকাবিলা, নৌ সীমান্ত নিরাপত্তাসহ আঞ্চলিক ইস্যুতে দুই পক্ষ আলোচনা করেছে।
    ঢাকায় প্রাপ্ত এক খবরে বলা হয়েছে, রাখাইনে সেনা অভিযানের মুখে প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর রোহিঙ্গাদের চরম মানবিক সংকটে সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রশংসা করেছে বাংলাদেশ।
    সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেন মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের রাজনৈতিক ও সামরিক বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত উপ সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল মিলার। বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (আমেরিকা) আবিদা ইসলাম।